ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে শুকনা হলুদের
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) আগের অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের চেয়ে এ বন্দর দিয়ে মসলাজাত পণ্যটির আমদানি কমেছে পাঁচ হাজার টনের বেশি। ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে শুক্রবার এ তথ্য জানা গেছে। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি পণ্যটির দাম বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি শুকনা হলুদ আমদানি কমেছে।
বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে এ বন্দর দিয়ে মোট শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৫৪৯ টন, যার মূল্য ২০৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় বন্দরটি দিয়ে ৩০৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা মূল্যের ১৭ হাজার ৬৯৩ টন হলুদ আমদানি হয়েছিল। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে মসলাপণ্যটির আমদানি কমেছে ৫ হাজার ১৪৪ টন।
এ বিষয়ে ভোমরা বন্দরের মসলাজাত পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, ভারতের বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়াসহ দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় তার প্রতিষ্ঠানে শুকনা হলুদ আমদানি কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ।
এদিকে বন্দরে আমদানি কমে যাওয়ার প্রভাবে সাতক্ষীরার মসলা বাজারগুলোয় গুঁড়া হলুদের দাম বেড়েছে। জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারে শুক্রবার মসলাজাত পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার স্টোরে গুঁড়া হলুদ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৩৮০ টাকা দরে। এক মাস আগেও পণ্যটি কেজিতে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হাকিম।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ জানান, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে হলুদের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে বাজারে সরবরাহ বাড়লে দাম আবার সহনশীল পর্যায়ে চলে আসবে।


