পুঁজিবাজারে সূচকে ১ শতাংশ দরপতন
দেশের পুঁজিবাজারের গতকাল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে।
এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ১ শতাংশ পয়েন্ট হারিয়েছে। সূচকের পাশাপাশি এদিন এক্সচেঞ্জটির দৈনিক লেনদেন কমেছে ১৩ শতাংশ। দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) গতকাল সূচক ও লেনদেনে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরুতেই বিক্রয় চাপের কারণে পয়েন্ট হারাতে শুরু করে সূচক। দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক ৫৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২২০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ২৭৩ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ২১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ২০২ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস এদিন ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৬৫ পয়েন্ট।
গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, পূবালী ব্যাংক ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের শেয়ার।
ডিএসইতে গতকাল ৬২৬ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৭২০ কোটি টাকা। সে হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ১৩ শতাংশ। গতকাল এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ৩০৬টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২৩টির।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। ১০ দশমিক ৪ শতাংশ দখলে নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। প্রকৌশল খাত ১০ দশমিক ৩ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ছিল। ৯ দশমিক ৬ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ স্থানে ছিল সাধারণ বীমা খাত। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৯ দশমিক ৩ শতাংশ।
গতকাল ডিএসইতে একটি বাদে বাকি সব খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে। এছাড়া সিমেন্ট ও ব্যাংক খাতে ১ দশমিক ৬ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল। অন্যদিকে ডিএসইতে গতকাল তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২ দশমিক ১ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে।


