শিরোনাম

South east bank ad

রফতানি বাজারে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের হিস্যা ২ দশমিক ৪ শতাংশ

 প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   আমদানী/রপ্তানী

রফতানি বাজারে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের হিস্যা ২ দশমিক ৪ শতাংশ

দেশের মোট রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে তৈরি পোশাক খাত।

এর পরই রয়েছে দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য; রফতানি বাজারে যার হিস্যা মাত্র ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এর বাইরে অন্যান্য প্রধান রফতানি পণ্যের অবদান ২ শতাংশেরও কম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রফতানি খাতে প্রতিযোগী দেশগুলো প্রতিনিয়ত পণ্য বৈচিত্র্যায়ণের দিকে ঝুঁকছে। বিপরীতে বাংলাদেশ এখনো একটি খাতের ওপরই নির্ভরশীল। ফলে এ খাতে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে তা দেশের পুরো রফতানি আয়ের ওপর প্রভাব ফেলে। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে পোশাক খাতের ওপর অতিনির্ভরতা কাটিয়ে পণ্য বৈচিত্র্যায়ণের দিকে নজর দিতে হবে। এছাড়া যেসব পণ্য এরই মধ্যে রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে, সেগুলোর সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ প্রায় ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকার পণ্য রফতানি করেছে। এর মধ্যে শুধু নিটওয়্যার ও ওভেন গার্মেন্টস পণ্য তথা পোশাক খাতের আয় ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩১২ কোটি টাকা; যা মোট রফতানি আয়ের ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদ ও রফতানিসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ একমুখী নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি তৈরি করছে। বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা, বাণিজ্যনীতি বা ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে পোশাক খাতে ধাক্কা এলে দেশের সামগ্রিক রফতানি আয় বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কারোপসহ নানা কারণে দেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী হয়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক মন্দা, মহামারী বা সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্নতার কারণেও পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তারা বলছেন, ভিয়েতনাম, চীন ও ভারতের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো এরই মধ্যে ইলেকট্রনিকস, যন্ত্রপাতি, উচ্চমূল্যের টেক্সটাইল এবং কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত পণ্যে বিনিয়োগ বাড়িয়ে রফতানি পণ্যের পরিধি বিস্তৃত করেছে। ফলে তারা বৈশ্বিক বাজারে বহুমুখী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল গ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

BBS cable ad

আমদানী/রপ্তানী এর আরও খবর: