মোনার্ক হোল্ডিংস ইস্যুতে ডিএসইর কাছে ব্যাখ্যা চাইবে বিএসইসি
স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার মোনার্ক হোল্ডিংস লিমিটেডের নিবন্ধন সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ছাড়াই সেটি নবায়নের সুপারিশ করেছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
পরে বিষয়টি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নজরে আসার পর ডিএসইর কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়। এর জবাবে ডিএসই প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেও নিবন্ধন সনদ নবায়নের পক্ষে কিংবা বিপক্ষে কোনো সুপারিশ করেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসইর কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। গতকাল সংস্থাটির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০২২তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিএসই কর্তৃক মোনার্ক হোল্ডিংস লিমিটেডের স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার নিবন্ধন সনদ নবায়নসংক্রান্ত সুপারিশ পর্যালোচনায় কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয় যে ‘সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০’-এর বিধি ৮(৩) অনুযায়ী নির্ধারিত ফরম ‘ছ’-তে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি যথাযথভাবে পূরণ না করেই ডিএসই নিবন্ধন সনদ নবায়নের পক্ষে ইতিবাচক সুপারিশ প্রদান করেছে, যা বিধিমালার পরিপন্থী এবং ডিএসইর রেগুলেটরি দায়িত্ব পালনে স্পষ্ট ব্যর্থতার পরিচায়ক।
পরে কমিশন এ বিষয়ে ডিএসইর কাছে ব্যাখ্যা তলব করলে ডিএসই ফরম ‘ছ’ পূরণসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি পাঠালেও ওই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ নবায়নের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট রেগুলেটরি সুপারিশ করেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কেন বিধিমালা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট (নিবন্ধন সনদ নবায়নের পক্ষে বা বিপক্ষে) সুপারিশ করতে ব্যর্থ হয়েছে সে বিষয়ে ব্যাখ্যা তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে ব্যাখ্যা তলবসংক্রান্ত চিঠি পাওয়ার পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিধিমালার আলোকে প্রয়োজনীয় তথ্য, বিশ্লেষণ, রেগুলেটরি মূল্যায়নসহ মোনার্ক হোল্ডিংসের নিবন্ধন সনদ নবায়ন বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ কমিশনের কাছে পাঠানোর জন্য ডিএসইকে নির্দেশনা প্রদানের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
মোনার্ক হোল্ডিংসের ৩৩ শতাংশ করে শেয়ার রয়েছে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, কাজী সাদিয়া হাসান ও জাবেদ এ মতিনের কাছে। আর ১ শতাংশ শেয়ার আছে আবুল কালাম মাতবরের কাছে। সমবায় অধিদপ্তরে উপনিবন্ধক ও পুঁজিবাজারের বিতর্কিত বিনিয়োগকারী মো. আবুল খায়ের হিরুর ব্যবসায়িক অংশীদার সাকিব আল হাসান ও জাবেদ এ মতিন। তাছাড়া কাজী সাদিয়া হাসান তার স্ত্রী ও আবুল কালাম মাতবর তার পিতা। তাদের সবার বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজি ও আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের বিএসইসির পক্ষ থেকে এর আগে শেয়ার কারসাজিতে জড়িত থাকার দায়ে বড় অংকের জরিমানাও করা হয়েছে। তবে এ জরিমানার তথ্য মোনার্ক হোল্ডিংসের নিবন্ধন সনদ নবায়নের সময় ফরম ‘ছ’-তে উল্লেখ করা হয়নি। বরং মোনার্ক হোল্ডিংসের মালিকরা শেয়ার কারসাজির কারণে জরিমানার সম্মুখীন হলেও ডিএসই সে তথ্য গোপন করে স্টক ব্রোকারটির সনদ নবায়নের জন্য সুপারিশ করেছে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে বিএসইসির


