সব খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৪৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৫ হাজার ৬৬২ পয়েন্ট।
গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে। এ সময় এক্সচেঞ্জটির প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে আড়াই শতাংশের বেশি কমেছে। পাশাপাশি এক্সচেঞ্জটির অন্যান্য সূচকেও নিম্নমুখিতা পরিলক্ষিত হয়েছে। গত সপ্তাহে মিউচুয়াল ফান্ড ব্যতীত সব খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এছাড়া দেশের আরেক পুঁজিবাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) গত সপ্তাহে সূচকের নিম্নমুখিতা দেখা গেছে।
AKIJ Advertisement
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৪৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৫ হাজার ৬৬২ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ৪৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ১৪১ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গত সপ্তাহ ৩৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ১৩৮ পয়েন্ট।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান জ্বালানি সংকট, কোম্পানিগুলোর আয় নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সপ্তাহজুড়ে নিম্নমুখী ছিল দেশের পুঁজিবাজার। শিল্প উৎপাদন ও করপোরেট মুনাফায় গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কারণে বাজারে ক্রয়চাপের তুলনায় বিক্রয়চাপ ছিল বেশি। তাই সপ্তাহের শুরু থেকেই বাজারে ছিল মন্দা ভাব। দীর্ঘস্থায়ী নিম্নমুখী প্রবণতায় দিনের লেনদেনের একপর্যায়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৫০০ পয়েন্টের নিচে নেমে যায়।
ডিএসইতে গত সপ্তাহে মোট ৩৮৬টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ৩১০টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৬টির। আর লেনদেন হয়নি ২৫টির। গত সপ্তাহে সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইসলামী ব্যাংক, এনভয় টেক্সটাইলস, ইউসিবি ও মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ার।


