শিরোনাম

South east bank ad

সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে রসুনের দরবৃদ্ধি কেজিতে ৩০ টাকা

 প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   ক্রয়-বিক্রয়

সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে রসুনের দরবৃদ্ধি কেজিতে ৩০ টাকা

দিনাজপুরের হিলিতে সরবরাহ কমের অজুহাতে বেড়েছে রসুনের দাম। স্থানীয় বাজারগুলোয় এক সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০-৩০ টাকা। দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ বাড়লে কমে আসবে দাম।

হিলি বাজার ঘুরে গতকাল দেখা গেছে, প্রতিটি দোকানেই রসুন সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে ছোট আকারের রসুন কেজিপ্রতি ৮০ টাকা, মাঝারি আকারের ১০০ টাকা ও বড় আকারের রসুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও প্রকারভেদে ছিল ৭০-৯০ টাকা।

হিলি বাজারের রসুন বিক্রেতা রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘মোকামে রসুনের দাম আগের তুলনায় খানিকটা বেশি। মোকামে আগে যে রসুনের দাম ছিল প্রতি মণ ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, এখন তা ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার টাকা।’

তিনি বলেন, ‘কৃষকরা মজুদে থাকা রসুনগুলো বাজারে ছাড়ছেন না। বাড়তি দাম পাওয়ায় সেগুলোকে বীজ হিসেবে বিক্রি করছেন। এখন নতুন রসুন রোপণের সময়। বড় আকারের রসুনগুলো বীজ হিসেবে কেনাবেচা করায় সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মূলত এসব কারণে সরবরাহ কমে গেছে এবং পাইকারিতেই আমাদের বেশি দামে পণ্যটি কিনতে হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। সরবরাহ আবার বাড়লে মোকামে যেমন দাম কমে আসবে, আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারব।’

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘‌কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করে বা দাম বাড়াতে না পারে সে লক্ষ্যে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছি। পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের দাম যাচাই করছি। বাড়তি দাম নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

BBS cable ad

ক্রয়-বিক্রয় এর আরও খবর: