উৎপাদন বাড়াতে মূলধনি যন্ত্রপাতি কিনবে মতিন স্পিনিং মিলস
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি মতিন স্পিনিং মিলস পিএলসি উৎপাদনের আধুনিকায়ন এবং সার্বিক কর্মদক্ষতা বাড়াতে নতুন মূলধনি যন্ত্রপাতি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৫৭তম সভায় এ ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুযায়ী, যন্ত্রপাতি কেনা, বাণিজ্যিক খরচ, স্থাপন, নির্মাণকাজ, আনুষঙ্গিক ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খাত মিলিয়ে মোট সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বোনাস শেয়ার ইস্যু করার মাধ্যমে এ অর্থায়ন করা হবে। নতুন এ যন্ত্রপাতি সফলভাবে স্থাপন ও চালু হওয়ার পর কারখানাটির সার্বিক উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ফলে কোম্পানিটি বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা মুনাফা করতে সক্ষম হবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৯ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে মতিন স্পিনিং মিলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে মতিন স্পিনিং মিলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে মতিন স্পিনিং মিলস বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ৭৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৪ পয়সায়।


