সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে দাম বেড়েছে পেঁয়াজের
হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দিনাজপুরের হিলিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ কমের অজুহাতে দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়েছে পণ্যটির দাম। বিক্রেতারা জানান, বাড়তি দামে মোকাম থেকে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে তাদের। আবহাওয়া ভালো হলে এবং সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।
হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে আগের তুলনায় সরবরাহ কিছুটা কম।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে যে পেঁয়াজ বিক্রি করেছিলাম ৩৫-৪০ টাকা কেজি। তা এখন ৪০-৪৫ টাকা। অর্থাৎ যে পেঁয়াজের দাম ছিল ৩৫ টাকা, সেটি হয়েছে ৪০ টাকা আর যা ছিল ৪০ টাকা, সেটি হয়েছে ৪৫ টাকা কেজি। এর কারণ আগে আমদানি একটু বেশি ছিল, যার কারণে সরবরাহ বেশি ছিল। তাই দামও কম ছিল। কয়েক দিন ধরে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষকরা তাদের কাছে থাকা পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ছেন না। এতে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় মোকামেই পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী। অন্যদিকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। আগে যেখানে মোকাম থেকে দোকানে প্রতি বস্তা পেঁয়াজ আনতে খরচ হতো ১২০-১৩০ বা সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা। কিন্তু এখন তেলের দাম বাড়ায় প্রতি বস্তায় ১৮০-২০০ টাকা ভাড়া দিতে হচ্ছে। প্রতি বস্তায় ভাড়া বেড়েছে ৫০-৬০ টাকা। তাই কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে ও পরিবহন খরচ কমে এলে দাম কমে আসবে।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। কেউ যেন কোনো পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়াতে না পারেন সেটি দেখা হচ্ছে। কারো বিরুদ্ধে বাড়তি দাম নেয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে জরিমানা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


