শিরোনাম

South east bank ad

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি হতে এভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা হচ্ছে : বিমানমন্ত্রী

 প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   মন্ত্রনালয়

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি হতে এভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা হচ্ছে : বিমানমন্ত্রী

দেশের এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তর এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এ অগ্রযাত্রায় এভিয়েশন খাতের ভূমিকাকে অনস্বীকার্য উল্লেখ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ৪২ বছর পর সিভিল এভিয়েশন রুলস-১৯৮৪ সংশোধন করে নতুন রুলস-২০২৬ প্রণয়ন করা হচ্ছে।
নতুন বিধিমালা ব্যবসা ও বেসরকারি বিনিয়োগবান্ধব করেই তৈরি করা হবে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কুর্মিটোলার এক ভেন্যুতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বণিক বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেন।

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি

মন্ত্রী বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আমরা দেশের এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমিতে রূপান্তর করা। এই অগ্রযাত্রায় এভিয়েশন খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আমাদের বিমানবন্দরগুলো আমাদের প্রবেশদ্বার এবং রাষ্ট্রীয় আয়নার মতো।
তাই এই আয়নাকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নে আমরা এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছি।

তিনি আরো বলেন, প্রায় ৪২ বছর পরে আমরা সিভিল এভিয়েশন রুলস-১৯৮৪ সংশোধন করে নতুন রুলস-২০২৬ প্রণয়ন করছি। আমাদের নতুন বিধিমালা অবশ্যই ব্যবসা ও বেসরকারি বিনিয়োগবান্ধব করেই তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং বেসামরিক বিমান চলাচলে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় বিধান যুক্ত করা হবে।

এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা আমাদের মূল অংশীজন।
তাই বিনিয়োগ সহজীকরণের লক্ষ্যে বিধিমালা তৈরিতে আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বেসরকারি এয়ারলাইন্সের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে বিমান রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধার বিধানে সংশোধন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বিমানের জটিল যন্ত্রাংশ রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহলের ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছি, একটি ভঙ্গুর এবং বিশৃঙ্খল এভিয়েশন খাত পেয়েছি। চারদিকে যাত্রী হয়রানির অভিজ্ঞতা উঠে আসছিল। আমাদের সরকারের অন্যতম লক্ষ্য এই হয়রানি লাঘব করা। সেবার মানোন্নয়নে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের কাজ হাতে নিয়েছি।

দেশী-বিদেশি এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার্থে আমরা একটি আন্তর্জাতিক মানের Maintenance, Repair and Overhaul (MRO) ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছি। এ ছাড়া বেসরকারি উদ্যোগে বেসামরিক বিমানবন্দর স্থাপন ও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া সহজীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপনাদের সহযোগিতায় আমাদের এভিয়েশন হাব তৈরির লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশা রাখি।

BBS cable ad

মন্ত্রনালয় এর আরও খবর: