শিরোনাম

South east bank ad

কৃষি খাতে সাড়ে ৯ শতাংশ বরাদ্দ চান কৃষি অর্থনীতিবিদরা

 প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   কনজুমার প্রোডাক্টস

কৃষি খাতে সাড়ে ৯ শতাংশ বরাদ্দ চান কৃষি অর্থনীতিবিদরা

বছর তিনেক ধরেই বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ ধারাবাহিকভাবে কমছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের ৮ দশমিক ৭ শতাংশ বরাদ্দ থাকলেও চলতি অর্থবছরে সেটি নেমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯ শতাংশে।

এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন অর্থবছরে বাজেটের সাড়ে ৯ শতাংশ কৃষি খাতের জন্য বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা। সম্ভাব্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে কৃষির জন্য ৮৮ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রত্যাশা করছেন তারা।

গতকাল বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: বাংলাদেশে কৃষির টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা’ শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারে এ দাবি উপস্থাপন করা হয়। সেমিনারটির আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি ও অধ্যাপক মো. ওয়াকিলুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি মো. আহসানুজ্জামান লিন্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য কৃষিতে এবারে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। এজন্য কৃষি উপকরণ যেমন সার, বীজ, যন্ত্রপাতি ও সেচের জন্য ভর্তুকি বাড়াতে হবে। এছাড়া এসডিজির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয়, কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবেলায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে।’

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘বর্তমানে কৃষিপণ্যের চাহিদার প্রকৃত তথ্য না থাকায় চাহিদার চেয়ে উৎপাদন অনেক ক্ষেত্রে বেশি হচ্ছে, এতে অপচয় বাড়ছে। কৃষকও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, আবার ভোক্তারাও সঠিক দামে পণ্য কিনতে পারছেন না। কৃষক কার্ড চালু করার উদ্দেশ্য এ সমস্যা কমানো। ‘‘কৃষক কার্ড’’ পাইলটিং হচ্ছে, পুরোপুরিভাবে চালু হলে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন হবে, কোনো কৃষিপণ্য অপচয় হবে না। ক্রেতা ও ভোক্তা উভয়েই লাভবান হবেন।’

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।’

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হচ্ছে। আমরা ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধিতে যেতে চাই। পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও উত্তরণ— তিন ধাপে ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।’

BBS cable ad

কনজুমার প্রোডাক্টস এর আরও খবর: