তিতাস গ্যাসের অগ্রাধিকারমূলক শেয়ারে বিএসইসির অনুমোদন
রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির পর্ষদ গত বছর শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে ২৮ কোটি ২৭ লাখ ৪৭ হাজার ৪৬৯টি অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
এরই মধ্যে এ ইস্যুতে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিয়েছে কোম্পানিটি। এবার শেয়ার ইস্যুর বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন পেয়েছে তিতাস গ্যাস। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, তিতাস গ্যাসের ২৮২ কোটি ৭৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬৯০ টাকার শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২৮ কোটি ২৭ লাখ ৪৭ হাজার ৪৬৯টি অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যু করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অনুকূলে এ শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৯৫ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ৭ টাকা ১৯ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যেখানে লোকসান ছিল ৫ টাকা ২৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৫ টাকা ৯৮ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে তিতাস গ্যাসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৮০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যেখানে লোকসান ছিল ৭ টাকা ৫২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ১৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যেখানে লোকসান ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ১৫ পয়সায়।
২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিতাস গ্যাসের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮৯ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭ হাজার ৫৭৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৮ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৮৩১। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সরকারের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বিদেশী ও ১০ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।


