নারী উদ্যোক্তাদের সামনে এগিয়ে নিতে নারীবান্ধব নীতি গ্রহণ জরুরি: স্পিকার
করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নারী উদ্যোক্তাদের সামনে এগিয়ে নিতে নারীবান্ধব নীতি গ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, নারীবান্ধব রাজস্ব নীতি গ্রহণের পাশাপাশি কর আরোপ প্রক্রিয়ার সহজীকরণ প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোভিড সংকট মোকাবিলায় ঘোষিত প্রণোদনা মাঝারি ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তারা যেন সহজে পেয়ে উপকৃত হতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা দরকার।
ডিজিটাল ডিভাইডের শিকার হয়ে নারীরা যেন তথ্য-প্রযুক্তিতে পিছিয়ে না পরে সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান স্পিকার।
বুধবার (১০ মার্চ) স্পিকার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের দিয়ে গেছেন নারী-পুরুষ সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার আইনি কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানিক ভিত। নারী-পুরুষ সবার মৌলিক অধিকার তিনি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে গেছেন। এই আইনি কাঠামোর ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশের নারী সমাজ ৷
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরেই আজ নারীদের অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি। কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রেই নারীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নজির দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে যে কাজ করছেন, তা সমগ্র বিশ্বে প্রশংসিত। ফলস্বরূপ তিনি সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড, প্ল্যানেট ফিফটি চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড, এজেন্ট অফ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড, গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮-সহ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। কোভিড মোকাবিলায় অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য সম্প্রতি কমনওয়েলথ কর্তৃক বিশ্বের তিনজন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অন্যতম হিসেবে ইন্সপাইরেশনাল লিডারশিপ সম্মাননা তিনি অর্জন করেছেন, যা সমগ্র জাতির জন্য গৌরবের।
স্পিকার বলেন, নারীদের অধিকতর অগ্রগায়নের জন্য অবকাঠামোগত সব সুবিধা নিশ্চিত জরুরি। তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ তৃণমূল নারীদের জন্য অবারিত করতে হবে যেন তারা নিজেদের জীবনমান উন্নয়নে তা কাজে লাগাতে পারে।
শ্রমবাজারে নারীদের অধিকতর অংশ নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান স্পিকার।