শিরোনাম

South east bank ad

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার

 প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   মন্ত্রনালয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বাক্ষর করা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, ‘মার্কিন নতুন বৈশ্বিক শুল্ক এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির বিষয়গুলো নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করার সময় আসেনি। পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার পরই পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

সচিবালয়ে গতকাল ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকার কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তিটি করেছে, সে ব্যাপারে এখনো বলার মতো কোনো অবস্থা তৈরি হয়নি। আমরা দেখছি, এর পক্ষে-বিপক্ষে কী আছে। একটি চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দুটি দিকই থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখছি। এরপর করণীয় ঠিক করব।’

অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তড়িঘড়ি বা চুক্তির বিষয়গুলো গোপন করেছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চুক্তিতে কিছু নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট (তথ্য প্রকাশ না করার চুক্তি) ছিল, সেটা চুক্তির আলোচনার সময়। তবে এ চুক্তিটা একটি সেনসেটিভ (সংবেদনশীল) ইস্যু ছিল। যাদের সঙ্গে চুক্তি সে দেশটাও আমাদের জন্য সেনসেটিভ। বিভিন্ন কারণেই এ বিকাশমান পরিস্থিতিতে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ বিষয়টি আসলে এখনো বিকাশমান। যেটাকে আমরা ইংরেজিতে বলি ‘ইভলভিং সিনারিও’। কারণ দেশটির সর্বোচ্চ আদালত আগের ধার্যকৃত ট্যারিফ মেইনটেইনেবল না বলে ঘোষণা করেছে। এরপর তারা সব দেশের জন্য প্রথমে ১০ শতাংশ, পরে ১৫ শতাংশ ট্যারিফ নির্ধারণ করেছে। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুধু ঘোষণা শুনছি, কিন্তু সরকারি পর্যায়ে এখনো লিখিত কিছু পাইনি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, ১২২ আইনি ব্যাখ্যায় যা আছে, তা ১৫০ দিনের মধ্যে দেশটির কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। ফলে সিনারিওটা আবারো আমি বলব ইভলভিং।’

শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মন্তব্য প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ডেকেছি, অনেক বড় রেঞ্জের আলোচনার জন্য। চুক্তিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন খাতের কী সমস্যা সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

বর্তমান দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেসব পণ্য আমদানি তদারকি করে, সেগুলোর দাম স্বাভাবিক রয়েছে বাজারে। তবে কিছু পণ্য একসঙ্গে অনেকে কেনায় দাম বেড়ে গেছে, এগুলো সবজি জাতীয়।’

BBS cable ad

মন্ত্রনালয় এর আরও খবর: