রফতানি পণ্যে দেশীয় সুতা-কাপড় ব্যবহারে নগদ সহায়তা বেড়ে ৫%
রফতানিমুখী বস্ত্র খাতে দেশীয় উৎস থেকে সুতা ও কাপড় ব্যবহার করে পণ্য উৎপাদনকারীদের জন্য নগদ সহায়তার হার ১ দশমিক ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারের সিদ্ধান্তের আলোকে গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (এফইপিডি-১)।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, রফতানিমুখী বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড এবং ডিউটি ড্র-ব্যাক সুবিধার বিকল্প হিসেবে দেশীয় উৎস থেকে সংগৃহীত সুতা ও কাপড় ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট রফতানিকারকদের দেশীয় উৎস থেকে সুতা ও কাপড় সংগ্রহের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। এছাড়া এ-সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ববর্তী সার্কুলার ও নির্দেশনার অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বর্ধিত এ নগদ সহায়তা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত রফতানীকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। নির্দেশনাটি কার্যকর করতে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৫ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৩টি রফতানি খাতে প্রণোদনা ও নগদ সহায়তার হার নির্ধারণ করে একটি সার্কুলার জারি করেছিল। এতে রফতানিমুখী বস্ত্র খাতে দেশীয় উৎস থেকে সুতা ও কাপড় ব্যবহার করে শুল্ক বন্ড এবং ডিউটি ড্র-ব্যাকের বিকল্প হিসেবে নগদ সহায়তার হার ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ সার্কুলারের মাধ্যমে ওই হার বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হলো। তবে অন্য খাতগুলোর প্রণোদনা ও নগদ সহায়তার হারে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।


