শিরোনাম

South east bank ad

এশিয়ার অনেক দেশের মুদ্রা চাপে বিপরীতে স্থির বাংলাদেশী টাকা

 প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   বাংলাদেশ ব্যাংক

এশিয়ার অনেক দেশের মুদ্রা চাপে বিপরীতে স্থির বাংলাদেশী টাকা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২২ সাল-পরবর্তী তিন বছরে টাকার বিনিময় হারে ৪৫ শতাংশেরও বেশি অবমূল্যায়ন হয়।

এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে বড় ধরনের অবমূল্যায়নের মুখে পড়লেও ব্যতিক্রম বাংলাদেশের টাকা। ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে দক্ষিণ কোরিয়ার ওনের মূল্য কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ। একই সময়ে ভারতীয় ও শ্রীলংকার রুপির অবমূল্যায়ন হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ করে। ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াহর মূল্য কমেছে প্রায় ৯ শতাংশ। অন্যদিকে এ সময়ে ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়েছে মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত, চীনের ইউয়ান, পাকিস্তানের রুপি ও বাংলাদেশের টাকা। এর মধ্যে রিঙ্গিত ও ইউয়ানের মূল্য বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ করে, পাকিস্তানের রুপির ২ শতাংশ এবং টাকার প্রায় দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এক্সচেঞ্জ রেট অ্যান্ড ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট ডায়নামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে পর্যালোচনা করা হয়েছে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১১টি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মুদ্রার এক বছরের বিনিময় হার। তথ্যের উৎস হিসেবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক, আইএমএফ ও ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাটিস্টিকসের (আইএফএস) তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের বিনিময় হার এ সময়ে প্রায় স্থিতিশীল ছিল। ২০২৫ সালের ১ জুন প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৯৬ পয়সা। এক বছর পর চলতি বছরের ১ জুন তা কমে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন না হয়ে বরং প্রায় ২১ পয়সা শক্তিশালী হয়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর ও কম্বোডিয়ার মুদ্রা ডলারের বিপরীতে দুর্বল হয়েছে। ফলে আঞ্চলিক মুদ্রাবাজারের সামগ্রিক প্রবণতার তুলনায় বাংলাদেশী টাকার বিনিময় হার অনেকটাই ছিল স্থিতিশীল

BBS cable ad

বাংলাদেশ ব্যাংক এর আরও খবর: