শিরোনাম

South east bank ad

‘আমি চাই কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করে ফেলুক’

 প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   এনবিআর

‘আমি চাই কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করে ফেলুক’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো টাকা পাচারকারীদের ধরে তাদের কাছ থেকে পুরো টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু আমি চাই, এই টাকা তারা কর দিয়ে সাদা করে ফেলুক।

তিনি বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থ বিদ্যমান হারে কর দিয়ে আয়কর নথিতে দেখানো যায়। করদাতারা ৭টি সোর্স অব ইনকাম থেকে তাদের আয় দেখাতে পারেন।
বিবিধ খাতেও এই আয় দেখিয়ে তারা কালো টাকা সাদা করতে পারেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

আবদুর রহমান খান বলেন, ‘অনেকেই জানতে চান, নানা কারণে যেভাবে হোক গত কয়েক বছরে অনেক টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এখন তারা সেই টাকা দেশে আনতে চান, আয়কর নথিতে সেই টাকা প্রদর্শন করতে চান।
এর জন্য আমরা (এনবিআর) আলাদা কোনো স্কিম দেবো কি না।

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আমরা গত ৫৪-৫৫ বছর ধরে এ ধরনের অনেক স্কিম দিয়েছি, কিন্তু সেগুলো হিতে বিপরীত হয়েছে। কারণ এতে ভালো করদাতারা নিরুৎসাহিত হয়। তারা সারা বছর গুনে গুনে কর দিল, আর কর ফাঁকি দেওয়া লোকজন তিন ভাগের এক ভাগ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করবে এটা সৎ করদাতারা ভালো চোখে দেখেন না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, বিদ্যমান করহার অনুযায়ী কর দিয়ে যে কেউ অপ্রদর্শিত অর্থ তার আয়কর নথিতে প্রদর্শন করতে পারেন। এতে আমরা বরং খুশিই হবো।’

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি দেখেছি আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যাদের বাইরে টাকা-পয়সা আছে, তাদের ধরে পুরো টাকা নিয়ে যাচ্ছে। ফলে আমি চাই যে করদাতারা মার্জিনাল বা গড় যে ট্যাক্স আসে তা দিয়ে কালোটাকা সাদা করে ফেলুক। এই সুযোগ অবারিত।
রেগুলার রেটে যে কেউ তার অপ্রদর্শিত আয় আয়কর নথিতে দেখাতে পারে।’

প্রাক-বাজেট আলোচনায় মোটাদাগে ৩৭টি বাজেট সংক্রান্ত প্রস্তাব তুলে ধরে ইআরএফ। এতে নেতৃত্ব দেন ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা।

এসব প্রস্তাবনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবগুলো হলো, আগামী অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করা, ভ্যাটের একক হার ৭ শতাংশ নির্ধারণ, ব্যক্তি করের সর্বোচ্চ হার ৩০-৩৫ শতাংশে সীমিত রাখা। ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক ও মুনাফার কর হ্রাস বা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যাহারের সুপারিশ করে সংগঠনটি।

BBS cable ad

এনবিআর এর আরও খবর: