শিরোনাম

South east bank ad

১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার

 প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   আমদানী/রপ্তানী

১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার

স্থানীয় স্পিনিং শিল্পের সুরক্ষা ও বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে সরকারের এ সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

রফতানিমুখী শিল্পে ব্যবহারের জন্য ১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে দীর্ঘদিনের বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করেছে সরকার। তবে প্রকৃত রফতানিকারকদের জন্য নির্ধারিত শর্তে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে এ ধরনের সুতা আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে। স্থানীয় স্পিনিং শিল্পের সুরক্ষা ও বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে সরকারের এ সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। তবে সিদ্ধান্তটির ‘ক’ ও ‘খ’ দফা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের শীর্ষ দুই সংগঠন। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) পক্ষ থেকে গতকাল বাণিজ্যমন্ত্রীকে দেয়া এক চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়। এতে প্রয়োজনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের কথাও বলা হয়েছে। এর আগে সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারি করা এক আদেশে এইচএস হেডিং ৫২০৫, ৫২০৬ ও ৫২০৭-এর আওতাধীন ১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিটিএমএ সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, বন্ড সুবিধায় দীর্ঘদিন ধরে ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির কারণে স্থানীয়ভাবে উৎপাদনযোগ্য এ ধরনের সুতার চাহিদা এবং দেশীয় স্পিনিং মিলগুলোর সক্ষমতার ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় সুতার চাহিদা বাড়বে, বন্ধ ও আংশিক বন্ধ মিলগুলো পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের সুযোগ বাড়বে। এতে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণও কমতে পারে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ বলছে, গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সভায় এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হয়নি। অথচ পরবর্তী সময়ে সভার কার্যবিবরণীতে ১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং রফতানিমুখী শিল্পের প্রয়োজনীয় সুতার ন্যূনতম ৫০ শতাংশ স্থানীয় স্পিনিং মিল থেকে সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগঠন দুটির ভাষ্য, সভার আলোচনাবহির্ভূত বিষয় কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা তাদের বিস্মিত করেছে।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে দেশের তৈরি পোশাক শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের মতে, এ শিল্প দীর্ঘদিনের বন্ড ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। হঠাৎ ডি-বন্ড ব্যবস্থা চালু হলে বিদেশী ক্রেতাদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যাবে এবং রফতানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

BBS cable ad

আমদানী/রপ্তানী এর আরও খবর: