শেখ ফজলে শামস পরশ এর বিবাহবার্ষিকী আজ
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ এর বিবাহবার্সিকী আজ। সুপ্রিম কোর্টের
আইনজীবি এ্যাড. নাহিদ সুলতানা জুথি এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাবা শেখ মনি ও মা আরজু মণিকে চিরতরে হারান পরশ। তখন তার বয়স মাত্র ৬। ছোট ভাই তাপস মাত্র ৪ বছরের শিশু। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হয় পরশ-তাপসকে। কখনও আত্মীয়দের বাসায় লুকিয়ে থাকতে হয়েছে, কখনোবা পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। এভাবে দুই বছর কাটার পর ১৯৭৮ সালে তারা ভারতে চলে যায়। শেখ আছিয়া বেগম তাদের ভারতে নিয়ে যান। চাচা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, ফুপু শেখ হাসিনা, শেখ রেহেনা তারাও তখন বিদেশে শরণার্থী। তার ছোট ভাই শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য।
শেখ পরিবারের উত্তরাধিকারী পরশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে কলরাডো স্টেট ইউনির্ভাসিটি থেকে স্নাতকোত্তর করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয় সংস্কৃতিমনা পরশ গান বাজনার প্রতিও বেশ সৌখিন।
পাবনার মেয়ে নাহিদ সুলতানা যুথি। তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন স্বনামধন্য আইনজীবী। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে রাজনীতি করে আসা অ্যাডভোকেট যুথি রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের (রুলা) প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবছর জেসিআই বাংলাদেশ ‘ওমেন অব ইন্সপিরেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ এ ভূষিত হলেন অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স ক্যাটাগরিতে এ অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিনি।
বিডিফিন্যান্সিয়ালনিউজ২৪.কম পরিবারের পক্ষ থেকে শেখ ফজলে শামস পরশ ও নাহিদ সুলতানা যুথিকে বিবাহবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা।


