বিজিএমইএ’র ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
বিজিএমইএ’র ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) আজ, ২০ জুন ২০২৬, বিজিএমইএ কমপ্লেক্স, উত্তরায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজকের এই আয়োজন শুধু একটি আনুষ্ঠানিক সভা নয়; এটি আমাদের অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে একসঙ্গে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
সভায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সভাপতিত্বে সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ, সাধারণ সদস্যবৃন্দ এবং শিল্পখাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা সকল উদ্যোক্তা, বিশেষ করে BGMEA-এর Former Presidents, Vice-Presidents, Directors এবং our industry’s leading figures-দের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাঁদের দূরদর্শী নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনাই আজকের শক্তিশালী ও বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত পোশাক শিল্পের ভিত্তি তৈরি করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ইতিহাস মূলত চ্যালেঞ্জকে জয় করার ইতিহাস। Child Labour Issue, Quota Phase-out, Tazreen ও Rana Plaza-পরবর্তী সংকটসহ নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম safe, responsible and sustainable garment manufacturing destination হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, LDC Graduation, Man-Made Fiber (MMF)-ভিত্তিক পণ্যের growing demand, global supply chain consolidation, China+1 sourcing strategy, Artificial Intelligence, Smart Factories, Recycling এবং Circular Economy বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে, যা higher value exports এবং long-term sustainable growth-কে আরও ত্বরান্বিত করবে।
তিনি বিশেষভাবে SME উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে SME factories-গুলোর financing, compliance এবং modernization অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ’র বর্তমান পর্ষদ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে তারা আগামী দিনের emerging opportunities কাজে লাগিয়ে শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।
সভায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী অনুমোদিত হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করা হয় এবং নতুন নিরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।
একসঙ্গে, shared vision, collective responsibility এবং unwavering commitment-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী, টেকসই এবং globally competitive করে গড়ে তুলতে বিজিএমইএ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পরিশেষে, ৪৩তম AGM সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বিজিএমইএ’র সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ এবং উপস্থিত সকল অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।


