গার্ডিয়ান লাইফের সহায়তায় ঋণমুক্ত হলো দুই পরিবার
গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও ফ্রেন্ডস ইন ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশের (এফআইভিডিবি) যৌথ উদ্যোগে ঋণগ্রহীতাদের জন্য লাইফ ইন্স্যুরেন্স সুবিধার আওতায় বীমা দাবির অর্থ হস্তান্তর করা হয়েছে।
মূলত এফআইভিডিবি থেকে ঋণ গ্রহণকারী সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইফ ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষার অন্তর্ভুক্ত থাকেন। ফলে কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধের আগে মৃত্যু হলে তার বকেয়া ঋণের দায় গার্ডিয়ান লাইফ বহন করে।
গার্ডিয়ান লাইফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি এফআইভিডিবির দুই ঋণগ্রহীতা অঞ্জুয়ে নায়েক ও জাফুরা বেগম যথাক্রমে ৭০ হাজার ও ৬০ হাজার টাকা ঋণ নেন। কিন্তু তা পরিশোধের আগেই দুজনই রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের খাদিমনগরের কল্লাগ্রামে এফআইভিডিবি হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মৃত দুই ঋণগ্রহীতার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করা হয়।
অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব প্রডাক্ট অ্যান্ড ইপিএমও ফাসিহুল মোস্তফা; ভাইস প্রেসিডেন্ট (মাইক্রো, ডিজিটাল চ্যানেল ও এডিসি) নওশাদুল করিম চৌধুরী; ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) রাফায়েত সিকদার রজত; সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) দিতিপ্রিয়া রায় চৌধুরী এবং সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (মাইক্রো, ডিজিটাল চ্যানেল ও এডিসি) আসিফ বিন মুজিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে এফআইভিডিবির পক্ষে ছিলেন বোর্ড মেম্বার এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম ও সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বজলে মোস্তফা রাজীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ান লাইফের এসএভিপি দিতিপ্রিয়া রায় চৌধুরী বলেন, ‘প্রত্যেকটি বীমা আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। পরিবারটি যা হারিয়েছে তা কখনই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে আমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে প্রাপ্য বীমা দাবির অর্থ তাদের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছি।’ ভবিষ্যতেও এ ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করে মানুষের পাশে থাকার জন্য গার্ডিয়ান লাইফ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
এফআইভিডিবির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বজলে মোস্তফা রাজী বলেন, ‘সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গার্ডিয়ান লাইফের সঙ্গে এ অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এমন উদ্যোগ আমাদের সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে।’


