শিরোনাম

South east bank ad

ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারের সংখ্যা বাড়লেও উৎপাদনে পিছিয়ে কেন দেশ

 প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   আমদানী/রপ্তানী

ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারের সংখ্যা বাড়লেও উৎপাদনে পিছিয়ে কেন দেশ

কৃষিজমির মালিকানার ধরনের যেমন পরিবর্তন এসেছে তেমনি কৃষি খাতের গঠনেও সম্প্রতি ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। কৃষি খাতের উপখাতগুলো হচ্ছে শস্য, মৎস্য, পশুসম্পদ ও বনসম্পদ। অধিকালে উপখাতগুলোর ভার ও গুরুত্বের অনেক তারতম্য ঘটেছে।

দেশে খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ক্ষুদ্র কৃষক। কিন্তু তাদের জমির পরিমাণ ও পুঁজি কম। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং উৎপাদনশীলতাও কম। বাজার সংযোগেও তারা পিছিয়ে। ফলে তাদের আয়ও তুলনামূলক কম। এমন চিত্রই উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে। ‘সার্ভে অন ইনকাম অ্যান্ড প্রডাক্টিভিটি অব স্মল-স্কেল ফুড প্রডিউসার্স ২০২৫’ শিরোনামে প্রকাশিত বিবিএস জরিপ থেকে দেখা যায় জাতীয় পর্যায়ে শ্রম দিবসপ্রতি গড় উৎপাদনশীলতা ১ হাজার ৮৬৮ টাকা। কিন্তু ক্ষুদ্র কৃষকদের ক্ষেত্রে এ উৎপাদনশীলতা মাত্র ১ হাজার ৪৯৪ টাকা। পক্ষান্তরে বড় কৃষকদের শ্রম দিবসপ্রতি উৎপাদনশীলতা ২ হাজার ৩০১ টাকা। অর্থাৎ ক্ষুদ্র কৃষকদের শ্রমের অর্থনৈতিক মূল্য তুলনামূলকভাবে কম। ফলে তারা সমাজে আর্থিক বৈষম্যেরও শিকার। খাদ্য উৎপাদনকারী দেশের সব কৃষকের বার্ষিক গড় আয় যেখানে ৭৮ হাজার ২৮৬ টাকা, সেখানে ক্ষুদ্র কৃষকদের গড় আয় মাত্র ৩৩ হাজার ৬৩১ টাকা। বিপরীতে বড় কৃষকদের গড় আয় ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৬ টাকা। ক্ষুদ্র কৃষকদের গড় আয়ের প্রায় চার গুণ।

BBS cable ad

আমদানী/রপ্তানী এর আরও খবর: