এসএমই উদ্যোক্তাদের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অংশীদার হতে চায় ব্র্যাক ব্যাংক
দেশের এসএমই খাতে সবচেয়ে বড় ঋণ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি।
ব্যাংকটিতে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সৈয়দ আব্দুল মোমেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝে এসএমই খাতের চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে বণিক বার্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মহিউদ্দিন মাহি
দেশে এসএমই খাতে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো আপনারা খুব কাছ থেকে দেখছেন। এসএমই খাত সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই।
এসএমই খাতের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো উদ্যোক্তারা। তারা এমন সব পণ্য ও সেবা নিয়ে কাজ করেন যেগুলো স্থানীয় বাজারকে কেন্দ্র করেই তৈরি করা হয়। ছোট ছোট উৎপাদন কেন্দ্র কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো চাল, ডালসহ এমন সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে কাজ করে, যেগুলোর চাহিদা কখনো শেষ হবে না। উচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হয়তো কিছুটা প্রভাবিত হতে পারে, কিন্তু এসব পণ্য তাকে কিনতেই হবে। মানুষ হয়তো এক কেজি চালের জায়গায় আধা কেজি কিনবে, কিন্তু কেউ চাল না কিনে থাকবে না। ফলে বাজারের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। নগদ প্রবাহ কিছুটা কমলেও এ বাজারে একটা প্রবাহ সবসময়ই থাকবে।
আবার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, তেলের মূল্যবৃদ্ধির মতো বৈশ্বিক পরিস্থিতিও সরাসরি এসএমই খাতকে খুব একটা প্রভাবিত করে না। এসবের প্রভাব এসএমই খাতে দেখা দিতে তিন-ছয় মাস লেগে যেতে পারে। তবু মানুষকে বেঁচে থাকার জন্য কেনাকাটা করতেই হবে। তারা খাবার কিনবে, কাপড় কিনবে। পরিমাণ হয়তো কমতে পারে, কিন্তু চাহিদা থাকবে। এ জায়গাটাই এসএমই খাতের সৌন্দর্য; এটি কখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে না।
বিপরীতে বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিগুলো গার্মেন্টস বা এ রকম বড় খাতগুলোর ক্ষেত্রে বৈশ্বিক যেকোনো অস্থিরতা দ্রুত প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ যুদ্ধ বা বৈশ্বিক মন্দার কারণে গার্মেন্টসের বড় কোনো ক্রেতা বাজারে চাহিদা নেই বলে ক্রয়াদেশ বাতিল করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে খাতটি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু এসএমই খাতে বিনিয়োগ অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় হওয়ায় এখানে ঝুঁকিগুলো তুলনামূলকভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই দেশের অর্থনীতি একটি চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ব্যবসায়ীরা দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার কোনো স্পষ্ট সংকেত দেখছিলেন না। এসএমই খাতও এখান থেকে আলাদা নয়। তবে যখন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলো তখন থেকেই ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিনিয়োগের আগ্রহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। কেউ নতুন শোরুমের পরিকল্পনা করছেন, কেউ ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা ভাবছেন। নির্বাচনের পর এরই মধ্যে নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আমার ধারণা, ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেই ব্যবসায়ীরা আবার বিনিয়োগের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন।
এ মুহূর্তে দেশের এসএমই খাতে ব্র্যাক ব্যাংকের অবদান কতটুকু?
এসএমই খাতে আমাদের মোট বিনিয়োগ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ছোট আকারের উদ্যোগে বিনিয়োগ করা হয়েছে; যেগুলো মূলত জামানতবিহীন ঋণ। গত বছর এসএমই শিল্পে প্রবৃদ্ধি কম হলেও ব্র্যাক ব্যাংক এসএমই ঋণে ১৫, আমানতে ৩২ এবং ফান্ড আন্ডার ম্যানেজমেন্টে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এসএমই গ্রাহক সংখ্যাও বেড়েছে প্রায় ২৪ শতাংশ। বর্তমান ঋণগ্রহীতার সংখ্যা প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ। আর যদি লেনদেনকারী এসএমই গ্রাহকদের ধরা হয়, তাহলে মোট সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন-চার লাখ হবে।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনারা জামানতবিহীন ঋণ দেন, এখানে ঝুঁকি কেমন থাকে?
দেশের ব্যাংক খাতে সার্বিক খেলাপি ঋণ যেখানে ৩০-৩৫ শতাংশ, সেখানে ব্র্যাক ব্যাংকের খেলাপি মাত্র ২ শতাংশ। আমাদের ব্যাংকের এনপিএল কম হওয়ার বড় কারণই হলো এসএমই খাত। সবচেয়ে কম এনপিএল দেখি আমরা জামানতবিহীন ঋণে। যেসব ঋণে জামানত আছে, সেগুলোর এনপিএল জামানতবিহীন ঋণের প্রায় দ্বিগুণ। করপোরেট খাতের এনপিএলও তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি।
আমার মতে ঋণ দেয়ার সময় শুরুতেই এ মূল্যায়নটা গুরুত্বপূর্ণ। শুধু জামানতের ওপর নির্ভর করলে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যাংকারদের একটি স্বাভাবিক প্রবণতা আছে যে তারা ১০ কোটি টাকার জামানত দেখলে একই পরিমাণ টাকা ঋণ দিতে খুব একটা অনুৎসাহবোধ করেন না। অথচ ব্র্যাক ব্যাংকের ঋণের বড় একটি অংশই জামানতবিহীন ঋণ। তবে আমরা যেকোনো ধরনের ঋণের শুরু থেকেই খুব সতর্ক থাকি। ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যবসার নগদ প্রবাহ কেমন, ঋণগ্রহীতা ঠিকমতো ঋণ পরিশোধ করতে পারবে কিনা, তার সঙ্গে ক্রেতা-বিক্রেতার সম্পর্ক কেমন—এসব খুঁটিনাটি বিষয় দেখেই ঋণ প্রদান করি। ফলে আমাদের ঋণ খেলাপি হওয়ার সুযোগ কম থাকে। একটা কথা মনে রাখতে হবে যে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে জামানত অতিরিক্ত নিরাপত্তা হিসেবে থাকতে পারে; কিন্তু মূল মূল্যায়ন হওয়া উচিত ব্যবসার সক্ষমতা ও নগদ প্রবাহ।
ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের অবস্থান কেমন?
ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে আমরা ভালো করছি। সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংক ডিজিটালি ৫০ হাজার এসএমই অ্যাকাউন্ট খোলার মাইলফলক অর্জন করেছে। আমাদের ‘আস্থা’ অ্যাপ নিয়ে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। গত বছর এ অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৫৩ শতাংশ। গ্রাহকদের আগে যেসব কাজের জন্য ব্যাংকের শাখায় যেতে হতো, এখন সবই তারা ‘আস্থা’ অ্যাপ দিয়ে করতে পারেন। অনেকেই বলেন, শেষ কবে চেক লিখেছেন সেটাই তারা ভুলে গেছেন; কারণ টাকা পাঠানো থেকে উত্তোলন—সব লেনদেনই এখন তারা এ অ্যাপ দিয়েই করতে পারেন।
প্রতি মাসে গড়ে ১২-১৫ হাজার জামানতবিহীন ঋণ দিই আমরা। আগে এসবের জন্য বড় বড় ফাইল তৈরি হতো। এখন পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল হয়েছে। আমাদের সেলস টিম মোবাইল বা ট্যাব দিয়ে আবেদন তৈরি করে, ক্রেডিট টিম ট্যাব দিয়ে যাচাই করে ও অপারেশনস ডিজিটালি অনুমোদন দেয়। এতে শুধু সময় কমেনি, বিপুল পরিমাণ ডেটাও সংগ্রহ হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ডেটা ব্যবহার করে আমরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রেডিট স্কোরিং করে ঋণ দিতে পারব।
এছাড়া এসএমই খাতেও আমরা ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। এরই মধ্যে ইউনিলিভারের পরিবেশকদের সঙ্গে একটি প্রোগ্রাম করছি। তাদের কাছে ভালো রিটেইলারদের তালিকা চেয়েছি। এ তালিকা অনুযায়ী আমরা রিটেইলারদের একটি স্কোরকার্ড দিয়ে মূল্যায়ন করি। এরপর তাদের মোবাইলে একটি বার্তা পাঠাই। ওই বার্তা থেকে তারা একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে সম্পূর্ণ ডিজিটাল উপায়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে ও ঋণ নিতে পারছে। প্রকল্পটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সফল হলে আমরা এটিকে আরো বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চাই।
ডিজিটাল লেনদেনের কথা বললেই ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ গড়ার আলোচনা সামনে আসে। এখানে অন্যতম প্রভাবক দেশের মার্চেন্টরা; যাদের বড় অংশই আবার এসএমই উদ্যোক্তা। তারা বিভিন্ন নিয়ম-নীতির কারণে ডিজিটাল লেনদেনে আগ্রহী হয় না। এক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?
আমার মনে হয়, বিষয়টি আমরা সামগ্রিকভাবে দেখি না। আলাদা ছোট উদ্যোগ দিয়ে ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ তৈরি করা সম্ভব নয়। এজন্য রিটেইলার থেকে শুরু করে ডিস্ট্রিবিউটর ও করপোরেট—পুরো ভ্যালু চেইনকে ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে নিয়ে আসতে হবে। তখনই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
আরেকটি বড় বিষয় হলো কর ব্যবস্থা। অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, ডিজিটাল লেনদেন করলে তাদের কর বাড়বে। আমার মতে, সরকার চাইলে করকে একটি প্রণোদনা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। ডিজিটাল লেনদেন করলে কর কমানো যেতে পারে। এখানে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এনবিআরের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ থাকা প্রয়োজন; তখনই কেবল আমরা ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ দেখতে পাব।
বর্তমানে এসএমই খাতের বড় চ্যালেঞ্জগুলো কী দেখছেন?
এসএমই খাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনৈতিক গতি পুরোপুরি ফিরে না আসা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতি একটি ধাক্কা খেয়েছিল। সেখান থেকে ব্যবসায়ীরা পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তবে আশার কথা হলো আমাদের গ্রাহকদের লেনদেনের তথ্যানুযায়ী এ ঈদে বিক্রি গত বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো ব্যবসায়ীরা এখনো বড় হওয়ার পরিকল্পনা করছেন না। আগে কেউ ভাবতেন—ঢাকায় একটি দোকান আছে, এবার বরিশাল বা রাজশাহীতে আরেকটি শোরুম খুলবেন। এখন সেই ভাবনা কমে গেছে। অনেকে বরং ব্যবসা ছোট করে ফেলছেন। আমি মনে করি, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে যদি অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসে, তাহলে ব্যবসায়ীরা আবার সম্প্রসারণের দিকে মনোযোগ দেবেন।
এসএমই খাতের উন্নয়নে সরকারের কী পদক্ষেপ নেয়া দরকার?
সবচেয়ে আগে দরকার ব্যবসাবান্ধব নীতি। উদাহরণ দিয়ে বলি, আমাদের ব্যাংক খাত পুরোটাই করপোরেটমুখী। মোট ঋণের প্রায় ৯০ শতাংশই এ খাতে যায়। এখন করপোরেট কেন্দ্রিক চশমা পরে এসএমই খাতে অর্থায়ন করতে গেলে বিপত্তিই ঘটবে। কারণ এ খাতের পুরোটাতেই ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এজন্য ব্যাংকের পর্ষদেরও সহায়তা প্রয়োজন। কারণ এ খাতে করপোরেটের মতো রাতারাতি এলসি খুলে কমিশন বা মোটা আকারের মুনাফা আনা যাবে না। তবে এসএমই খাতে পোর্টফোলিও বাড়লে তিন-পাঁচ বছর পর কিন্তু এটা খুবই লাভজনক হবে। এবং তা টেকসইও হবে; ব্র্যাক ব্যাংক যেটা করে দেখিয়েছে। এখন বোর্ড এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে তখনই আগ্রহী হবে, যখন সরকার ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের মতো উদ্যোগ নেবে। এ ধরনের বিশেষ স্কিমের পরিধি বাড়লে ব্যাংকগুলো ঝুঁকি নিতে উৎসাহবোধ করবে।
এসএমই খাতে ব্র্যাক ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
এরই মধ্যে আমরা এসএমই গ্রাহকদের জন্য ‘বিজপে’ নামে একটি নতুন ট্রানজেকশনাল ব্যাংকিং অ্যাপ চালু করেছি। এটি মূলত ‘আস্থা’ অ্যাপের ব্যবসায়িক সংস্করণ। এখানে ব্যবসায়িক লেনদেন, কর্মীদের বেতন দেয়া, একাধিক পেমেন্ট করা—এসব সুবিধা আছে। এটি আমাদের ৩৬০ ডিগ্রি এসএমই ব্যাংকিং উদ্যোগের অংশ। সবচেয়ে বড় বিষয় আমরা এসএমই ব্যাংকিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। গত ২৫ বছরে আমরা ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য ঋণদাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি। এখন আমরা শুধু ঋণদাতা হয়ে থাকতে চাই না। আমরা চাই এসএমই উদ্যোক্তাদের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অংশীদার হতে। তাদের লেনদেন, ব্যক্তিগত ব্যাংকিং, ব্যবসা উন্নয়ন কিংবা কর পরামর্শ—সব ধরনের আর্থিক প্রয়োজন আমরা পূরণ করতে চাই।
এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য আপনার কোনো বার্তা আছে?
দেশের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের বলব—বাজার সম্পর্কে জানুন, বিভিন্ন সুযোগ সম্পর্কে জানুন। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন ব্যাংকের অনেক সুবিধা আছে, কিন্তু অনেক উদ্যোক্তা সেগুলো জানেন না। ফলে তারা সেসবের সুযোগ নিতে পারেন না। তাই এসব তথ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। উদ্যোক্তাদের আরেকটি বিষয় বলব যে প্রয়োজন হলে অবশ্যই ঋণ নিন এবং সময়মতো পরিশোধ করুন। কিন্তু প্রয়োজন না হলে ঋণ নেবেন না। এতে ভবিষ্যতে আরো বড় সুযোগ পাওয়া সহজ হবে।


