শিরোনাম

South east bank ad

সীমিত পরিসরে উড্ডয়ন শুরু করল এমিরেটস ও ইতিহাদ

 প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   আন্তর্জাতিক

সীমিত পরিসরে উড্ডয়ন শুরু করল এমিরেটস ও ইতিহাদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান দুই এয়ারলাইনস এমিরেটস ও ইতিহাদ গতকাল থেকে সীমিত পরিসরে উড়োজাহাজ চলাচল শুরু করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে কয়েক দিন ধরে উড্ডয়ন সূচিতে চরম বিশৃঙ্খলা ছিল। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়া হাজার হাজার যাত্রী অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। তবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি এখনো থাকায় এভিয়েশন খাতের অস্থিরতা পুরোপুরি কাটেনি। খবর রয়টার্স।

আবুধাবিভিত্তিক ইতিহাদ জানিয়েছে, ১৯ মার্চ পর্যন্ত এ বিশেষ উড্ডয়ন সূচি কার্যকর থাকবে। এ সময়ে লন্ডন, প্যারিস, ফ্রাঙ্কফুর্ট, দিল্লি, নিউইয়র্ক, টরন্টো ও তেল আবিবসহ প্রায় ৭০টি গন্তব্যে সংস্থাটির উড়োজাহাজ চলাচল করবে।

অন্যদিকে দুবাইভিত্তিক এমিরেটস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লন্ডন, সিডনি, সিঙ্গাপুর ও নিউইয়র্কসহ ৮২টি গন্তব্যে সীমিত পরিসরে উড়োজাহাজ চলবে। তবে দুবাই হয়ে অন্য দেশে যেতে চাওয়া যাত্রীদের জন্য এমিরেটস একটি শর্ত দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, কেবল যাদের সংযোগকারী ফ্লাইট সচল থাকবে, শুধু তারাই দুবাইয়ে ট্রানজিট সুবিধা পাবে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার ২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুবাই বিমানবন্দরের ব্যস্ততা গত বুধবারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল। তবে এ সংখ্যা এখনো স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মাত্র ২৫ শতাংশ। উল্লেখ্য, স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দরের তালিকায় দুবাইয়ের নাম ওপরের দিকে থাকে।

ইউরোপ থেকে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যাত্রীদের ওপর এ সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। সাধারণত এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ ও ইতিহাদ এ রুটের এক-তৃতীয়াংশ যাত্রী পরিবহন করে। বর্তমানে কাতারের দোহা হাব বা কেন্দ্রটি বন্ধ রয়েছে। তবে কাতার এয়ারওয়েজ ওমান ও সৌদি আরব থেকে সীমিত কিছু ত্রাণবাহী উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। উড্ডয়ন তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিরিয়াম জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৪৪ হাজার ফ্লাইট নির্ধারিত ছিল। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে ২৫ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

উড়োজাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি জ্বালানি তেলের বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সিঙ্গাপুরে জেট ফুয়েলের দাম এ সপ্তাহে রেকর্ড গড়ে প্রতি ব্যারেল ২২৫ ডলারে পৌঁছেছে। জ্বালানি তেলের এ অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এয়ারলাইনসগুলোর পরিচালন ব্যয় অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ঋণমান নির্ণয়কারী সংস্থা ফিচ রেটিংস জানিয়েছে, আয়ের পথ কমে যাওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি তেলের বাড়তি খরচ এভিয়েশন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।

আকাশপথের এ অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও। গতকাল কান্তাস এয়ারওয়েজ, এয়ার নিউজিল্যান্ড ও ক্যাথে প্যাসিফিকের শেয়ারের দাম কমেছে। অনেক যাত্রী গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করছেন। এড শর্ট নামের এক যাত্রী বলেন, ‘দুবাই থেকে দেশে ফেরার পথটি ছিল পুরোপুরি বিশৃঙ্খল। ওমানে গিয়ে উড়োজাহাজে উঠতে আমাদের অনেক বাড়তি অর্থ খরচ করতে হয়েছে।

BBS cable ad

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর: