কৃষিপণ্যের রফতানি কমেছে ১০.৩০%
প্রবাসী আয় ও তৈরি পোশাকের বাইরে যে কয়েকটি খাত বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে, তার মধ্যে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য অন্যতম। তবে সাম্প্রতিক কালে অন্যান্য রফতানি খাতের মতো এখানেও মন্দা ভাব দেখা যাচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে কৃষি খাতে রফতানি কমেছে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিপণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৫৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কৃষি খাতে রফতানি আয় কমেছে ৬ কোটি ডলারের বেশি। এ সময়ে দেশের সার্বিক রফতানি আয় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমলেও কৃষিতে এর হার ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ।
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানি করে। এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য পাঠানো হয়। এ খাতের প্রধান পাঁচ রফতানি পণ্যের গন্তব্য হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
কৃষি খাত থেকে বাংলাদেশ মূলত চা, সবজি, তামাক, বিভিন্ন ধরনের ফল, প্রাণিজ বা উদ্ভিজ্জ তেল ও চর্বি এবং চিনি ও মশলা জাতীয় পণ্য রফতানি করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে রফতানি কমেছে চা এবং প্রাণিজ বা উদ্ভিজ্জ তেল ও চর্বির।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রাণিজ বা উদ্ভিজ্জ তেল ও চর্বি জাতীয় পণ্যের রফতানি কমেছে ৬৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এছাড়া চা রফতানি কমেছে ২৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। অন্যদিকে তামাক ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ, চিনি ও চিনি জাতীয় পণ্য ১৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং শুকনো খাবারের রফতানি কমেছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
কৃষি খাতের অধিকাংশ পণ্যের রফতানি কমলেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে ফল ও সবজি পণ্যে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ফল রফতানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১৬ শতাংশ। অন্যদিকে সবজিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। প্রায় সবধরনের পণ্যের রফতানি কমলেও মূলত এ দুটি পণ্যের ওপর ভর করেই কৃষি খাতের সার্বিক রফতানি কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক দিন ধরেই সংকোচনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের সার্বিক রফতানি আয়ও অনেক কমে এসেছে। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রফতানি আয় ইতিবাচক ধারায় ছিল। পরবর্তী পাঁচ মাস ধরে তা নেতিবাচক ধারায় প্রবাহিত হয়েছে। কৃষি খাতও তার ব্যতিক্রম নয়।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিরাজ করছে। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধেও পণ্য রফতানিতে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিপণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৫৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কৃষি খাতে রফতানি আয় কমেছে ৬ কোটি ডলারের বেশি। এ সময়ে দেশের সার্বিক রফতানি আয় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমলেও কৃষিতে এর হার ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ।
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানি করে। এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য পাঠানো হয়। এ খাতের প্রধান পাঁচ রফতানি পণ্যের গন্তব্য হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
কৃষি খাত থেকে বাংলাদেশ মূলত চা, সবজি, তামাক, বিভিন্ন ধরনের ফল, প্রাণিজ বা উদ্ভিজ্জ তেল ও চর্বি এবং চিনি ও মশলা জাতীয় পণ্য রফতানি করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে রফতানি কমেছে চা এবং প্রাণিজ বা উদ্ভিজ্জ তেল ও চর্বির।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রাণিজ বা উদ্ভিজ্জ তেল ও চর্বি জাতীয় পণ্যের রফতানি কমেছে ৬৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এছাড়া চা রফতানি কমেছে ২৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। অন্যদিকে তামাক ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ, চিনি ও চিনি জাতীয় পণ্য ১৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং শুকনো খাবারের রফতানি কমেছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
কৃষি খাতের অধিকাংশ পণ্যের রফতানি কমলেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে ফল ও সবজি পণ্যে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ফল রফতানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১৬ শতাংশ। অন্যদিকে সবজিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। প্রায় সবধরনের পণ্যের রফতানি কমলেও মূলত এ দুটি পণ্যের ওপর ভর করেই কৃষি খাতের সার্বিক রফতানি কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক দিন ধরেই সংকোচনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের সার্বিক রফতানি আয়ও অনেক কমে এসেছে। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রফতানি আয় ইতিবাচক ধারায় ছিল। পরবর্তী পাঁচ মাস ধরে তা নেতিবাচক ধারায় প্রবাহিত হয়েছে। কৃষি খাতও তার ব্যতিক্রম নয়।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিরাজ করছে। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধেও পণ্য রফতানিতে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।


