সাময়িক স্থগিতাদেশের কোনো আর্থিক প্রভাব নেই
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির (বেক্সিমকো ফার্মা) লেনদেন লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের (এলএসই) অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটে (এআইএম) স্থগিত করা হয়েছে। এর কারণ জানতে চেয়ে কোম্পানিটিকে চিঠি দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, সময়িক স্থগিতাদেশ কেবল লেনদেন সম্পর্কিত। কোম্পানির ওপর এর কোনো আর্থিক প্রভাব নেই।
উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশে ব্যর্থ হওয়ায় কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের জন্য প্রাপ্ত গ্লোবাল ডিপোজিটরি রিসিট (জিডিআর) সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বেক্সিমকো ফার্মা শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১১১ টাকা ৩৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১৩ টাকা ৭ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরে ছিল ১০ টাকা ৩৪ পয়সা। গত ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ৪৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বেক্সিমকো ফার্মার ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ২০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৭ টাকা ৯১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বেক্সিমকো ফার্মার ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ১ পয়সায়।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৪৬ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৮২১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৪ কোটি ৬১ লাখ ১২ হাজার ৮৯। এর ৩০ দশমিক ১৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ৮৯, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭ দশমিক ৩৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


