দরবৃদ্ধির শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে গতকাল দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। দিন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ৫২ টাকা ৪০ পয়সায়, আগের কার্যদিবস শেষে যা ছিল ৪৭ টাকা ৭০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জর (ডিএসই) দৈনিক দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) আয় হয়েছে ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ৬৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৪৮ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৩৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯৫ পয়সা।
আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ২৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ২১ পয়সায়।
ইসলামী ব্যাংকের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬০৯ কোটি ৯৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫ হাজার ৫৩১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮। এর দশমিক ১৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭৪ দশমিক ৮৪, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১৭ দশমিক ৮৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


