গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন বন্ধ আজ
লভ্যাংশ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে স্টক এক্সচেঞ্জে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসির লেনদেন বন্ধ থাকবে আজ।
রেকর্ড ডেট শেষে আগামীকাল কোম্পানিটির লেনদেন আবার চালু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৫৩ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে ৩১ মার্চ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আজ।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ১১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৪০ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ১১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৪০ পয়সায়।
গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬০৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ১ লাখ ৮৮ হাজার ১৯৪। এর ৩০ দশমিক ৫৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক শূন্য ৫, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৪ দশমিক ৬০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪১ দশমিক ৭৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


