শিরোনাম

South east bank ad

থাই বিনিয়োগকারীদের আরো বেশি বিনিয়োগের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

 প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   জনশক্তি রপ্তানী

থাই বিনিয়োগকারীদের আরো বেশি বিনিয়োগের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদারের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি থাই বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে আরো বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি, রয়্যাল থাই দূতাবাসের কর্মকর্তারা, থাইল্যান্ডের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রয়্যাল থাই সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উন্নয়ন বিভাগের (ডিআইটিপি) আয়োজনে এবং ঢাকাস্থ রয়্যাল থাই দূতাবাসের বাণিজ্যিক বিষয়ক কার্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে থাইল্যান্ডের ৫৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘থাইল্যান্ড বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়লেও এখনো বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিপুল সুযোগ রয়েছে।’

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ তার কৌশলগত অবস্থান, বড় ভোক্তা বাজার, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতির কারণে বিদেশী বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, পর্যটন, চামড়া, তৈরি পোশাক, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ, রাবার পণ্যসহ বিভিন্ন খাতে থাই বিনিয়োগকে আমরা স্বাগত জানাই।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী শুধু পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ নয়, বরং উৎপাদক, আমদানিকারক, রফতানিকারক, পরিবেশক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরির একটি কার্যকর মাধ্যম।’ তিনি বলেন, ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’-এর মতো আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন সম্পর্ক তৈরি করবে এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য সহজীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’ বাণিজ্যমন্ত্রী অংশগ্রহণকারী থাই কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, পরিবেশক ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের থাইল্যান্ডের বাজারে দেশীয় পণ্য রফতানির নতুন সুযোগ অনুসন্ধানের আহ্বান জানান।

BBS cable ad

জনশক্তি রপ্তানী এর আরও খবর: