পর্ষদ সদস্য বৃদ্ধিসংক্রান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহার সিটি ব্যাংকের
অনুমোদিত মূলধন ও পরিচালকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের মতামত জানতে আগামী ৪ অক্টোবর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
তবে সম্প্রতি ইজিএমের আলোচ্যসূচিতে পরিবর্তন এনে পরিচালক বৃদ্ধির প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ছাড়া পরিচালকের সর্বোচ্চ সংখ্যা আট থেকে বাড়িয়ে ১০ জন করার প্রস্তাবটি আগামী ইজিএমে উপস্থাপন করা হবে না। প্রস্তাবটি ইজিএমের আলোচ্যসূচি থেকে প্রত্যাহার করে উপযুক্ত সময়ে পুনর্বিবেচনার জন্য আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার কোটি টাকা করার প্রস্তাবটি ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের বিবেচনার জন্য বহাল রাখা হয়েছে। এ প্রস্তাবের আওতায় অনুমোদিত মূলধন ৩ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণের কথা রয়েছে, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩০০ কোটি সাধারণ শেয়ারে বিভক্ত।
অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কোম্পানির সংঘস্মারক ও সংঘবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধন প্রস্তাবও ইজিএমে উপস্থাপন করা হবে। তবে এসব প্রস্তাব প্রযোজ্য শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইনগত অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) সিটি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৬০ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে সিটি ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৭১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৬৭ পয়সায়।


