এলডিসি উত্তরণ তিন বছর পেছাতে সরকার ও বেসরকারি খাতের অনুরোধ
য়েছে, শুনানিতে বাংলাদেশের সময়সীমা বাড়াতে চাওয়ার কারণ জানতে চেয়েছিল ইউএনসিডিপি। বাংলাদেশের উল্লেখ করা কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ঘাটতি, মূল সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের মন্থর গতি এবং ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব। এছাড়া বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও বিনিয়োগ পরিবেশের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে স্বল্প সময়ে উত্তরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলোও উল্লেখ করা হয়।
বিজিএমইএর পক্ষ থেকে উপস্থাপনায় বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস সুবিধার আওতায় সেফগার্ড শর্তের কারণে ভবিষ্যতে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পর্যাপ্ত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি না থাকাকেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
এ সময় রুলস অব অরিজিনের শর্ত পূরণে সক্ষমতা বাড়াতেও অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়। এছাড়া ব্যবসার খরচ কমানো, নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া এলডিসি উত্তরণ হলে রফতানি আয়, কর্মসংস্থান ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা করে একটি সমন্বিত অবস্থান তৈরি করে।
সভা শেষে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক এ উদ্যোগ বাংলাদেশের আবেদনের পক্ষে ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।


