হিলিতে শুকনো মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ টাকা
দিনাজপুরের হিলিতে শুকনো মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ টাকা।
সরবরাহ কমার অজুহাতে সপ্তাহের ব্যবধানে এ দরবৃদ্ধি হয়েছে। বিক্রেতাদের দাবি, বৈরী আবহাওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে। তাই বাজারে এর দাম বেড়ে গেছে। সরবরাহ বাড়লে দাম আবার কমে আসবে বলে জানান তারা।
গতকাল সরেজমিন হিলি বাজারে দেখা যায়, বাজারের প্রতিটি দোকানেই শুকনো মরিচের যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে। তার পরও প্রতি কেজি শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকা দরে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩০০ টাকা। বিক্রেতারা জানান, বাড়তি দামের কারণে পণ্যটির বিক্রি কমে গেছে।
হিলি বাজারের শুকনো মরিচ বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে শুধু পঞ্চগড়ের বিন্দু জাতের শুকনো মরিচের সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু সে মরিচেরও মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় বাজারে সরবরাহ আগের তুলনায় খানিকটা কম। সেই সঙ্গে বৈরী আবহাওয়া, ঝড় ও বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় কাঁচামরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সরবরাহ কমায় কাঁচামরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ফলে লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা খেত থেকে কাঁচামরিচ তুলে বিক্রি করছেন, কেউ আর মরিচ শুকাচ্ছেন না। তাই চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে বাজারে দাম বাড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়া ভালো হলে এবং সরবরাহ বাড়লে আবারো দাম কমতে পারে।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট বা মজুদ তৈরি করে কেউ যাতে দাম বাড়াতে না পারে, সেজন্য আমরা কাজ করছি। নিয়মিত বাজার ও দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ সময় পণ্যের ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য ও মেমো যাচাই করা হচ্ছে। কারো বিরুদ্ধে বাড়তি দাম নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


