সিটি ব্যাংকের প্রায় ১৪৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন

সিটি ব্যাংক পিএলসির গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে মোট ১৪৪ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সে হিসাবে ব্যাংকটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৯১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনে সিটি ব্যাংকের অবদান ছিল ২ দশমিক ৫২ শতাংশ। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) সিটি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬০ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৭৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৩৯ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯০ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে সিটি ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৮ টাকা ২১ পয়সায়।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৫২১ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৯৬১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫২ কোটি ১২ লাখ ২২ হাজার ৬৯। এর ৩০ দশমিক ৩৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক ৪৯ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৬৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪০ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।