শিরোনাম

South east bank ad

হিলিতে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২-৩ টাকা

 প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   ক্রয়-বিক্রয়

হিলিতে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২-৩ টাকা

সরকার নির্ধারিত চাল আমদানির সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্যটির আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছেন আমদানিকারকরা।

তবে বন্দরে চাল সরবরাহ বাড়লেও আমদানির সময়সীমা আর না বাড়ার আশঙ্কায় প্রভাব পড়েছে দামে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে হিলিতে সব ধরনের আমদানীকৃত চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাল কিনতে আসা পাইকাররা।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে বন্দরে আমদানীকৃত চিকন জাতের শম্পা কাটারি চাল কেজিপ্রতি ৬২-৬৩ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৬৫-৬৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে স্বর্ণা জাতের মোটা চাল ৪৪ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ বর্তমানে বন্দর দিয়ে চাল আমদানির পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। আগে যেখানে দৈনিক ৪০-৫০ ট্রাক চাল আসত, এখন তা বেড়ে ৭০-১০০ ট্রাকে দাঁড়িয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরে চাল কিনতে আসা পাইকার অনুপ বসাক জানান, চাল আমদানি অব্যাহত থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু ১০ মার্চের পর আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে, এ খবরে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দাম বাড়ায় মোকামগুলোয় চাহিদা কমে গেছে। আগে প্রতিদিন তিন-চার ট্রাক চাল সরবরাহ করলেও বর্তমানে অর্ডারের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না।

আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘দেশের বাজারে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার গত ১৮ জানুয়ারি আমদানির অনুমতি দেয়। তবে এ অনুমতির মেয়াদ ১০ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। সময়সীমা না বাড়লে ভারত থেকে চাল আসা বন্ধ হয়ে যাবে। এ সুযোগে চালের দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

বর্তমানে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানির মেয়াদ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, ১০ মার্চ পর্যন্ত চাল আমদানির সুযোগ রয়েছে। সময়সীমা শেষ হয়ে আসায় আমদানিকারকরা দ্রুত চাল খালাস করছেন। এখন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর কোনো নির্দেশনা আসেনি। তবে মেয়াদ বাড়ানো হলে আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গত ২১ জানুয়ারি থেকে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৩২ জন আমদানিকারককে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছিল।

BBS cable ad