প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটের একাদশ আসর শুরু আজ
প্রাইম ব্যাংক পিএলসির পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তত্ত্বাবধানে আজ শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেট ২০২৫-২৬’ মৌসুম।
বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে ও দেশের সব প্রান্তের প্রতিভাবান ক্ষুদে ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দিতে ২০১৫ সাল থেকেই বিসিবির সঙ্গে স্কুল ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সম্পৃক্ত প্রাইম ব্যাংক। এ বছর প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটে ৬৪ জেলা থেকে অংশ নিচ্ছে ৩৫০ স্কুলের সাড়ে আট হাজারের বেশি ক্রিকেটার, ম্যাচের সংখ্যা ৬৫১। আজ শুরু হবে জেলা পর্যায়ের ম্যাচগুলো। এরপর হবে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের খেলা।
‘প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেট ২০২৫-২৬’ উপলক্ষে গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজন করা হয় প্রেস কনফারেন্স, উন্মোচন করা হয় জার্সি। প্রেস কনফারেন্সে প্রাইম ব্যাংক পিএলসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. নাজিম এ চৌধুরী। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে ছিলেন সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবং টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও স্কুল ক্রিকেট খেলে উঠে আসা বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. নাজিম এ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা দেখেছি, স্কুল ক্রিকেট খেলা প্রায় ১০-১২ জন ক্রিকেটার আছেন যারা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছেন। এটা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের। দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক যে এগিয়ে চলা সেখানে তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আর এ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যুক্ত থাকতে পেরে প্রাইম ব্যাংক আনন্দিত ও গর্বিত। ১০ বছর ধরেই স্কুল ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষক প্রাইম ব্যাংক। এটা আমাদের জন্য একটা আবেগের জায়গাও বটে। বিসিবিকে সাধুবাদ এই টুর্নামেন্টটা সফলভাবে পরিচালনার জন্য।’
২০১৫ সালে শুরু হওয়া প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটে বিভিন্ন সময়ে অংশ নিয়েছে ৩ হাজার ৫০৭টি স্কুল। দেশের সব প্রান্তে মাঠে গড়ানো ৬ হাজার ১৯৫টি ম্যাচে খেলেছে ৭৬ হাজার ২৩৫ জন স্কুল ক্রিকেটার, যা বাংলাদেশের যেকোনো পর্যায়ের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ। এছাড়া প্রতি বছর প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটের মৌসুম শেষে বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের নির্বাচকদের নির্বাচনের ভিত্তিতে সেরা ১৫ ক্রিকেটারকে বৃত্তি দিয়ে আসছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। বিসিবির অনুরোধে বৃত্তি সংখ্যা এ বছর ১৫ থেকে ২৫ করা হয়েছে। স্কলারশিপের পরিমাণও বছরে ৬০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘অনেকদিন পর স্কুল ক্রিকেট নিয়ে কথা বললাম এবং আমারও অতীতের কথা মনে হলো। যারা স্টুডেন্ট আছে, তারা এখানে ভালো পারফর্ম করে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ টিমে খেলবে। যারা স্টুডেন্ট আছে, তাদের জন্য শুভকামনা। টুর্নামেন্টটা তোমরা ভালো করে খেলবে।


