এক কোটি ডলার পর্যন্ত ঋণের নতুন সীমা নির্ধারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের
দেশের উৎপাদনশীল খাতের প্রবৃদ্ধি গতিশীল করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়াতে শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধা বা লং-টার্ম ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটির (বিবি-এলটিএফএফ) কাঠামোতে পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে একজন একক ঋণগ্রহীতা একটি ব্যাংকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন (এক কোটি ডলার) মার্কিন ডলার পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। তবে সিন্ডিকেটেড অর্থায়নের (দুই বা ততোধিক ব্যাংকের মাধ্যমে) ক্ষেত্রে এই ঋণের সীমা হবে সর্বোচ্চ ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (পিএফআই) তাদের ‘ক্যামেলস’ রেটিং অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হারে এই তহবিল থেকে অর্থ পাবে। রেটিং-১ প্রাপ্ত ব্যাংকসমূহ ৫ বছরমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ, ৭ বছর মেয়াদে ১.২৫ শতাংশ এবং ১০ বছর মেয়াদে ১.৫০ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে।
রেটিং ২ প্রাপ্ত ব্যাংকের ক্ষেত্রে ৫ বছর মেয়াদে ১.২৫ শতাংশ, ৭ বছর মেয়াদে ১.৫০ শতাংশ এবং ১০ বছর মেয়াদে ১.৭৫ শতাংশ সুদহারে অর্থায়ন পাবে।
অন্যদিকে, ক্যামেলস রেটিং-৩-এ থাকা ব্যাংকগুলো উল্লিখিত সময়ের জন্য যথাক্রমে ১.৫০ শতাংশ, ১.৭৫ শতাংশ এবং ২ শতাংশ সুদহারে তহবিল পাবে।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই অর্থায়ন সুবিধার বিষয়ে একটি সার্কুলার প্রকাশ করেছিল। সেই সময়ে নির্ধারিত হার অনুযায়ী, রেটিং-১-এ থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য সুদের হার ছিল সোফর + ০.২৫ শতাংশ, সোফর + ০.৫০ শতাংশ (৭ বছর) এবং সোফর + ০.৭৫ শতাংশ (১০ বছর)। রেটিং-২-এর জন্য এই হার ছিল যথাক্রমে সোফর + ০.৫০ শতাংশ, সোফর + ০.৭৫ শতাংশ ও সোফর + ১ শতাংশ।


