ইউসিবির ৪৩তম এজিএম
র, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং টেকসই মূলধন কাঠামো গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। ইউসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সভায় ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন; পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মো. তানভীর খান; স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ইমাম হাসান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ আলী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ছিলেন ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) ফারুক আহাম্মদ।
সভায় জানানো হয়, নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২০২৫ সালে ইউসিবি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এ সময়ে ব্যাংকটি তার ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৩ শতাংশ আমানত প্রবৃদ্ধি অর্জন করে, যা দেশের ব্যাংক খাতের গড় প্রবৃদ্ধির (১১ শতাংশ) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এর ফলে ইউসিবির মোট আমানত প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৮ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকায় উন্নীত এবং একই সময়ে প্রায় ৬ লাখ ৭৮ হাজার নতুন গ্রাহক হিসাব যুক্ত হয়।
এছাড়া দক্ষ ব্যালান্স শিট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ব্যাংকটি তার ঋণ-আমানত অনুপাত ৯১ দশমিক ৩ থেকে ৮৩ শতাংশে নামিয়ে এনে তারল্য অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে। ঋণ ও অগ্রিম খাতে ৮ শতাংশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি খেলাপি বা রাইট-অব ঋণ থেকে প্রায় ১১৪ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। নতুন নিয়ন্ত্রক নীতিমালার কারণে এক পর্যায়ে শ্রেণীকৃত ঋণের হার ১৯ শতাংশে পৌঁছালেও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের বিশেষ তৎপরতায় তা প্রায় ৪ শতাংশ কমিয়ে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ইউসিবির সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় কোম্পানি সচিব তানভীর এ সিদ্দিকী শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতা ও আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পরে চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে তিনি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


