শিরোনাম

South east bank ad

২০২৫ সালে যমুনা ব্যাংকের আমানত বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা

 প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   কর্পোরেট

২০২৫ সালে যমুনা ব্যাংকের আমানত বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংক পিএলসি সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিভিন্ন আর্থিক সূচকে বেশ ভালো করেছে।

এ সময়ে আগের তুলনায় ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়েছে দ্বিগুণ। পাশাপাশি ব্যাংকটির আমানত বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। ভালো মুনাফা হওয়ার কারণে ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। যমুনা ব্যাংকের সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ হিসাব বছরে যমুনা ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৩২ কোটি টাকায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩১ হাজার ৪১ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির আমানত বেড়েছে ৪ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা বা ১৬ শতাংশ। সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৫৬ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৭৯ কোট টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির নিট মুনাফা দ্বিগুণ বেড়েছে। ২০২৫ হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৭ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৭ জুলাই সকাল ১০টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩ জুন।

এদিকে চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) যমুনা ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৯১ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৮৮ পয়সায়।

যমুনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদ বণিক বার্তাকে বলেন, গ্রাহকদের আস্থার ফলেই ব্যাংকের আমানত বেড়েছে। গত বছরে খেলাপি ঋণ আদায়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ায় তা ২ শতাংশের ঘরে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। ঋণ বিতরণে কঠোর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ব্যালান্সশিটের ওপর যাতে চাপ না পড়ে সেজন্য এবার শুধু নগদ লভ্যাংশ দেয়া হয়েছে। ব্যাংকের নগদ প্রবাহ ভালো এবং মূলধনভিত্তিও শক্তিশালী। প্রাইমারি ডিলার হিসেবে বছরে প্রায় ৫০-৬০ হাজার কোটি টাকার সরকারি সিকিউরিটিজ লেনদেনের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ফি আয় হচ্ছে। সব মিলিয়ে মুনাফা, নগদ প্রবাহ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বিধিবিধান পরিপালনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখার চেষ্টা করছে যমুনা ব্যাংক।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংকের মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৩০। এর ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ৪৩, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

BBS cable ad

কর্পোরেট এর আরও খবর: