লেনদেনের শীর্ষে উত্তরা ব্যাংক
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল উত্তরা ব্যাংক পিএলসির ৪০ লাখ ৭৪ হাজার ৪১৬টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, টাকার অংকে যার পরিমাণ ১০ কোটি ৬ লাখ ২৩ হাজার। এতে কোম্পানিটি ডিএসইর শীর্ষ লেনদেনের তালিকায় উঠে এসেছে।
গতকাল ডিএসইতে উত্তরা ব্যাংকের শেয়ার ২৪ টাকা ৫০ থেকে ২৪ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে। দিন শেষে শেয়ারটির দর দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৮০ পয়সায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) উত্তরা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ২৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৬৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে উত্তরা ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে উত্তরা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৭ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে উত্তরা ব্যাংক। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২৮ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে উত্তরা ব্যাংক। এর মধ্যে ১৪ শতাংশ নগদ ও ১৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।
আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩১ টাকা ৭৯ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২৮ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে উত্তরা ব্যাংক। এর মধ্যে ১৪ শতাংশ নগদ ও ১৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪৫ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা।
১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে আসা উত্তরা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৭০ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৭ কোটি ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৭২। এর মধ্যে ২৮ দশমিক ১১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ৭৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ৯৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৭ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


