সেনা সদর দপ্তরে ১০০ সিলিন্ডার অক্সিজেন হস্তান্তর করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ
করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ঝুকিপূর্নদের জীবন বাচাতে সবথেকে বেশি প্রয়োজন অক্সিজেন এর। বাংলাদেশে অক্সিজেন এর যথেষ্ট ঘাটতি থাকায় আক্রান্তদের চিকিৎসা ব্যহত হবার খবরে এগিয়ে এসেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। আবুল খায়ের গ্রুপের একেএস প্লান্ট তাদের উৎপাদিত অক্সিজেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
গত বুধবার ঢাকা সেনানিবাসে মেজর জেনারেল মো. এনায়েতউল্লাহ বিএসপি,এনডিইউ, পিএসসি এর সাথে সাক্ষাত করে ১০০ সিলিন্ডার অক্সিজেন হস্তান্তর করেন আবুল খায়ের গ্রুপ এর ডিএমডি আবু সাঈদ চৌধুরী। এ সময় আরো উপস্তিত ছিলেন আবুল খায়ের গ্রুপ এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্রিগে. জেনারেল (অব.) শহীদুল্লাহ চৌধুরী ।
এর আগে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ হাসপাতালকে ৩০০ সিলিন্ডার অক্সিজেন সরবরাহ করে।
আবুল খায়ের গ্রুপের একেএস প্লান্ট স্টীল উৎপাদনের জন্য প্রতিদিন ২৬০ টন অক্সিজেন উৎপাদন করে। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্লান্ট। যদিও আবুল খায়ের গ্রুপের একেএস প্লান্ট এর উৎপাদিত অক্সিজেন বিক্রয়ের জন্য নয়। কিন্তু মানবিক কারনে এগিয়ে এসেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। দেশের মানুষকে সাহায্য করার জন্য আবুল খায়ের গ্রুপ সিলিন্ডারে অক্সিজেন ফিলিং ব্যবস্থা সংযোজন করে। এরপর বিদেশ থেকে আমদানীকৃত ৩০০ সিলিন্ডারে অক্সিজেন ফিলিং সম্পন্ন করে।
এর আগে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ হাসপাতালকে ৩০০ সিলিন্ডার অক্সিজেন সরবরাহ করে।
আবুল খায়ের গ্রুপের একেএস প্লান্ট স্টীল উৎপাদনের জন্য প্রতিদিন ২৬০ টন অক্সিজেন উৎপাদন করে। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্লান্ট। যদিও আবুল খায়ের গ্রুপের একেএস প্লান্ট এর উৎপাদিত অক্সিজেন বিক্রয়ের জন্য নয়। কিন্তু মানবিক কারনে এগিয়ে এসেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। দেশের মানুষকে সাহায্য করার জন্য আবুল খায়ের গ্রুপ সিলিন্ডারে অক্সিজেন ফিলিং ব্যবস্থা সংযোজন করে। এরপর বিদেশ থেকে আমদানীকৃত ৩০০ সিলিন্ডারে অক্সিজেন ফিলিং সম্পন্ন করে।


