পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় জেসমিন ফিরে পেল সুখের সংসার
বিডিএফএন টোয়েন্টিফোর.কম
মোছাঃ জেসমিন খাতুন (২২), পিতা-মোঃ মহর আলী, সাং-দশমীপাড়া, থানা-দামুড়হুদা, জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর সাথে অনুমান ৭ বছর পূর্বে মোঃ জুলহাস (২৫), পিতা- মোঃ মোমিন, সাং-ঝোরঘাটা, থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
বিয়ের কয়েক বছর পর হতে যৌতুকের দাবিতে মোঃ জুলহাস তার স্ত্রী জেসমিন খাতুনের সাথে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে জুলহাস ও তার পরিবারের লোকজন জেসমিন খাতুনকে শরিরীক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। জেসমিন খাতুন বিষয়টি তার পিতা মোঃ মহর আলীকে জানালে তিনি মেয়ের সুখের চিন্তা করে কিছু টাকা দেয়। সেই টাকা জুলহাস কুপথে বিপথে নষ্ট করে পুনরায় জেসমিন খাতুনের উপর শারীরিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অসহায় জেসমিন খাতুন তার সন্তানকে নিয়ে পিতার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
জেসমিন খাতুন ও তার পিতা বিভিন্ন জায়গায় তাদের সমস্যার সমাধান চেয়ে যোগাযোগ করেও কোন সমাধান না পেয়ে। অবশেষে তার অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য মান্যবর পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা নিকট আসেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানী‘কে দায়িত্ব দেন।
দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে আজ (১৭ ফেব্রুয়ারী) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বিপিএম-সেবা এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মোঃ জুলহাস তার স্ত্রী মোছাঃ জেসমিন খাতুুনের সাথে পুনরায় সংসার করতে সম্মত হয়। অবশেষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার হস্তক্ষেপে মোছাঃ জেসমিন খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার।


